দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সাভারে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আলতাফ হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় আরও চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। মুন্সিগঞ্জের লঞ্চঘাট এলাকা থেকে দুজন এবং এর প্রায় এক কিলোমিটার দূরের এলাকা থেকে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার চারজন হলেন আলাউদ্দিন, সিহাদ, মিজান ও আপন। র্যাব জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় ১৫ আসামির মধ্যে র্যাব এখন পর্যন্ত নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
র্যাব-১০-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানান, গ্রেপ্তার জিহাদ ও আপন কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্বের সঙ্গে জড়িত এবং তাঁদের বিরুদ্ধে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ১৫ আসামির সবাই কোনো না কোনোভাবে কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাবের ভাষ্য, এসআই আলতাফ হোসেনকে পুলিশ সদস্য হিসেবে লক্ষ্য করে হত্যা করা হয়নি। ঘটনার সময় অভিযুক্তরা নেশাগ্রস্ত ছিল। একটি অপরাধের ঘটনায় বাধা দিতে গিয়ে ঘটনাচক্রে হামলার শিকার হন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।
র্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তার আপন এই হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা। সে এসএস পাইপ দিয়ে এসআই আলতাফ হোসেনকে আঘাত করে। মানবিক বিবেচনায় স্থানীয় একটি ঝামেলা মীমাংসা করতে গিয়েছিলেন এসআই আলতাফ। কিন্তু হামলাকারীরা তাঁর কোনো কথাই শোনেনি। একপর্যায়ে তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় জনসম্মুখে অপরাধ সংঘটিত হলেও অনেকেই অপরাধীদের পুলিশের হাতে তুলে না দিয়ে ছবি তুলে ঘটনাস্থল থেকে সরে যান বলে মন্তব্য করেন র্যাব-১০-এর অধিনায়ক।
তিনি বলেন, ‘জনসম্মুখে কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে সাধারণ মানুষের দায়িত্ব হলো অপরাধীকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া।’ এ ধরনের ঘটনায় আইনেও সাধারণ মানুষকে অপরাধীকে ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করার বিধান রয়েছে বলে জানান তিনি। তবে মানুষ বিবেক বিসর্জন দিয়ে শুধু ছবি তুলে ঘটনাস্থল এড়িয়ে যাচ্ছে, যা মানবিক স্খলনের উদাহরণ বলেও মন্তব্য করেন র্যাব-১০-এর অধিনায়ক।
এমএম/